Sunday, August 1, 2021

টিকা

                                                                                 করোনা ভাইরাসের টিকা 



প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীয় পরিচয় পত্র যাঁদের নেই, তাঁদের টিকা কীভাবে হবে এবং অনলাইনে নিবন্ধন করতে যাঁরা পারবেন না, তাঁরা কীভাবে টিকা পাবেন, সে বিষয়ে তাঁরা পরামর্শ দিয়েছেন। এ বিষয়ে জুনাইদ আহমেদ বলেন, নিবন্ধনের কারণে যেন টিকা থেকে কেউ বঞ্চিত না হন, এটা যখন বলা হলো, তখন ডিজিটাল নিবন্ধনের পদ্ধতিকে সমন্বয় করে নেওয়ার জন্য আইসিটি বিভাগ পরামর্শ দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কেন্দ্রে গিয়েই নিবন্ধন করে টিকা দেওয়া।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাঁর মোবাইল ফোন অর্থ্যাৎ স্মার্টফোন নেই কিংবা ইন্টারনেট সুবিধা নেই, তাঁরা কেন্দ্র গিয়ে এনআইডি দেখালে সেখানে নিবন্ধন করে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে টিকার কার্ডও আলাদা করে নিতে হবে না। কেন্দ্রেই একটি কার্ড থাকবে। সেখানে নাম-ঠিকানা, টিকার তারিখ, কোন টিকা এবং পরবর্তী টিকার তারিখ উল্লেখ থাকবে। টিকার পরে কার্ড দিয়ে দেবে। তবে এভাবেই টিকা দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সিদ্ধান্ত নেবেন।

দিনে এখন চার লাখেরও বেশি মানুষ টিকার জন্য নিবন্ধন করছেন। আর টিকা দেওয়া হচ্ছে দুই লাখের কাছাকাছি জানিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, সরকারের কাছে এখন টিকা আছে এবং আরও টিকা আসছে । তাদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও এটুআইকে বলা হয়েছে, সারা দেশের সাত হাজার ডিজিটাল সেন্টার যেন সব ধরনের সহযোগিতা করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী চাইছেন সবাই যেন টিকা পান।এখন দিনে যেন ৫০ লাখ নিবন্ধন হলেও সুরক্ষা ওয়েব সাইট তা হ্যান্ডেল করতে পারে, এমন প্রস্তুতি আছে। প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি আছে। টিকা প্রদানের প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিচ্ছে।

করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ টিকা নেওয়া হলে একটি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এনআইডি ছাড়া টিকা নিলে টিকার সার্টিফিকেট পাওয়া বিষয়ে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘শুধু বিদেশ যাওয়া বা সামর্থ্যবানদের সার্টিফিকেট দরকার, বিষয়টা তা নয়। ভবিষ্যেতের জন্য প্রয়োজন। আমরা উন্নত জীবনযাত্রা উপহার দিতে চাই। কেউ টিকা নিয়েছে কি না, তা সার্টিফিকেট থাকলে বোঝা যাবে। ডিজিটালি সম্ভব না হলে হার্ড কপি দিতে হবে। যেভাবে অন্যান্য টিকার ক্ষেত্রে দেওয়া হয়।’

গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তখন বয়সসীমা ছিল ৫৫ বছর। কিন্তু ৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই নিবন্ধনের জন্য ৪০ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করে সরকার। এরপর তা আরো কয়েক বার কমিয়ে ৩৫ বছর করা হয়। এরপর ১৯ জুলাই থেকে ৩০ বছর এবং ২৯ জুলাই ২৫ বছর বয়সীরা বয়সীরাও নিবন্ধন করতে পেরেছেন। আর এখন তা ১৮ বছর করা হচ্ছে।


0 comments:

Post a Comment

Inspire

Future

Search This Blog

Blogroll

Sale & Service

Pages - Menu